China Bazar BD লোগো China Bazar BD Direct From China

জরুরি তথ্য

অর্ডারের আগে এই বিষয়গুলো জেনে রাখুন, যাতে কোনো দ্বিধা না থাকে।

প্রোডাক্ট আসে কোথা থেকে?

সব প্রোডাক্ট সরাসরি চীন থেকে আনা হয়। এ কারণেই দামে সাশ্রয় পাওয়া যায়, তবে হাতে পেতে কিছুটা সময় লাগে।

ডেলিভারি পেতে কতদিন লাগবে?

অর্ডারের তারিখ থেকে সাধারণত ১৫-৪৫ দিনের মধ্যে ডেলিভারি পৌঁছে যায়। অর্ডার আইডি দিয়ে যেকোনো সময় বর্তমান অবস্থা দেখা যায়।

পেমেন্ট কীভাবে করবেন?

অর্ডার নিশ্চিত করতে বিকাশ বা নগদে অগ্রিম পেমেন্ট করতে হয়। পেমেন্টের নম্বর ও বিস্তারিত অর্ডারের সময় WhatsApp-এ জানিয়ে দেওয়া হয়।

প্রোডাক্ট না পেলে কী হবে?

কোনো কারণে প্রোডাক্ট ডেলিভারি না হলে আপনার অগ্রিম পেমেন্টের পুরো টাকা ফেরত দেওয়া হবে। নিশ্চিন্তে অর্ডার করুন।

পার্সেল পেয়েই খুলে দেখুন, খোলার সময় একটানা ভিডিও করুন। মাল নষ্ট বা ভাঙা থাকলে ঐদিনই WhatsApp-এ ছবি ও ভিডিওসহ জানান। বিস্তারিত নিচে দেখুন।

কাস্টমস নিয়ে যা জানা দরকার

পার্সেল বাংলাদেশে পৌঁছালে কাস্টমস তা পরীক্ষা করতে পারে। আইন অনুযায়ী একক চালানে ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যের পার্সেলে শুল্ক ও কর ধার্য হয় না। কাস্টমস চাইলে যেকোনো পার্সেল খুলে দেখতে পারে, আর মূল্য বেশি মনে হলে নিজের মতো মূল্য ধার্য করতে পারে। ফি ধরলে তা শুধু পণ্যের দাম নয়, শিপিং ও ইন্স্যুরেন্সসহ মোট মূল্যের ওপর হিসাব হয়।

কাস্টমস যেসব মাল আটকায়: নকল ব্র্যান্ডের পণ্য, নকল টাকা, মাদক, অস্ত্র, বিস্ফোরক, অশ্লীল সামগ্রী, বন্যপ্রাণীর পণ্য, পুরনো বা রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রনিক্স। আমাদের নতুন জুয়েলারি, ঘড়ি, চশমা ও ইলেকট্রনিক্সে এসব সমস্যা সাধারণত হয় না।

পার্সেল আপনার নামে আসে। তাই কাস্টমস কোনো ফি ধরলে ডাকঘর বা কুরিয়ার আপনার সাথে যোগাযোগ করবে, আর সেই ফি আপনাকেই দিতে হবে, তবেই পার্সেল ছাড়া হবে। কাস্টমসে আটকে থাকলে ডেলিভারিতে বাড়তি সময় লাগতে পারে।

কাস্টমসে আটকালে কী করবেন, বিস্তারিত নিচে দেখুন।

বিস্তারিত জানুন

কাস্টমসে আটকানো আর নষ্ট মালের ক্ষেত্রে যা যা করতে হবে।

কাস্টমসে পার্সেল আটকালে কী করবেন

পার্সেল বাংলাদেশে পৌঁছালে কাস্টমস তা পরীক্ষা করে, বেশিরভাগ এয়ার পার্সেল ঢাকায় যাচাই হয়। শুল্ক বসলে বা কোনো সন্দেহ হলে ডেলিভারি থেমে যায়, ট্র্যাকিংয়ে আটকে থাকা দেখায় বা ডাকঘর থেকে ঠিকানায় নোটিশ আসে। আটকানো মানেই বাজেয়াপ্ত না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফি দিলেই পার্সেল ছেড়ে দেওয়া হয়।

ছাড়াতে হলে নোটিশে লেখা অফিসে যেতে হবে। সাথে নিন জাতীয় পরিচয়পত্র, নোটিশ, ট্র্যাকিং নম্বর আর অর্ডারের প্রমাণ। অর্ডারের স্ক্রিনশট আমরা দিয়ে দেবো। অফিসার পার্সেল খুলে দেখে মূল্য ধার্য করবেন আর ফির অঙ্ক জানাবেন, ফি জমা দিলেই পার্সেল ছাড়া হবে।

ফি হিসাব হয় পণ্যের দাম, শিপিং ও ইন্স্যুরেন্স মিলিয়ে মোট মূল্যের ওপর। আইন অনুযায়ী একক চালানে ৪,০০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যের পার্সেলে শুল্ক ও কর ধার্য হয় না, তবে কাস্টমস চাইলে যেকোনো পার্সেল খুলে দেখতে পারে, আর মূল্য বেশি মনে হলে নিজের মতো মূল্য ধার্য করতে পারে।

পার্সেল আপনার নামে আসে, তাই ফি আপনাকেই দিতে হবে। পার্সেল কুরিয়ারে এলে কুরিয়ার কোম্পানিই ক্লিয়ারেন্স করে ফোনে জানিয়ে ফি নিয়ে ডেলিভারি দেয়, তখন অফিসে যেতে হয় না। নোটিশ পেলে দেরি করবেন না, দীর্ঘদিন না ছাড়ালে মাল ফেরত পাঠানো বা নিলামে তোলার ঝুঁকি থাকে। নিষিদ্ধ বা নকল ব্র্যান্ডের মাল হলে বাজেয়াপ্ত হতে পারে, তখন ছাড়ানো যাবে না।

মাল নষ্ট বা ভাঙা আসলে কী করবেন

পার্সেল পাওয়ার সাথে সাথে খুলে দেখুন। খোলার সময় একটানা ভিডিও করুন, যেখানে পার্সেলের লেবেল, ভেতরের মাল আর কোনো সমস্যা থাকলে সেটা পরিষ্কার দেখা যায়। প্যাকেজিং ফেলে দেবেন না, প্রমাণ হিসেবে লাগতে পারে।

মাল নষ্ট, ভাঙা বা ছবির সাথে না মিললে ঐদিনই WhatsApp-এ ছবি ও ভিডিওসহ জানান। ডেলিভারির ১৫ দিনের মধ্যে ক্লেইম করতে হয়, তাই দেরি করলে ক্লেইমের সুযোগ থাকবে না।

অর্ডার আমাদের অ্যাকাউন্ট থেকে করা হয়, তাই ক্লেইমটা আমরাই করবো। আপনার পাঠানো ছবি ও ভিডিও দিয়ে সেলারের কাছে ক্লেইম করা হবে। রিফান্ড অনুমোদন হলে টাকা আমাদের কাছে ফিরবে, তারপর আপনাকে বিকাশ বা নগদে ফেরত দেওয়া হবে। কম দামের মালে সাধারণত ফেরত পাঠাতে হয় না।

কোনো কারণে প্রোডাক্ট ডেলিভারি না হলে অগ্রিম পেমেন্টের পুরো টাকা ফেরত দেওয়া হবে।